পোস্টগুলি

smriti লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
আমার হৃদয়ের সর্বাধিক বেদনাপ্রবণ কোশগুলো জুড়ে যাঁহার অস্তিত্ব ব্রহ্মপুত্রসম সুখের মাঝে কখনও দুঃখভোগের বাসনা জাগ্রত হইলেই আমি তাঁহার সমীপে উপনীত হইয়া অতঃপর যদি তিনি তাঁহার সুষম সুগঠিত অধমাঙ্গে আমাকে গ্রহণ অনুসারে বেটাল পদতলের মলিনতা লেহন করিবার পরমসৌভাগ্যে নিয়োগোত্তর মহামূল্য মুত্রবর্ষায় সিক্ত করেন বিরহপূর্বের দুঃকাহিনী স্মরণ হেতু দুঃখবিলাস অতিবাহনকালে তাঁহার যোনিতটের কেশসমূহ কর্ষণ করিয়া পরমপুরুষের জন্য তাঁহাকে প্রস্তুত করিয়া পুনরায় সেই আদিম বেদনাসুলভপ্রেমানুভবের স্বাদ গ্রহণ করিতে অগ্রসর হই॥    
আজ বহু বছর পরে আমি বাইরে থেকে খাবার কিনে নিয়ে বাড়ি ফিরচি কালীঘাট বাস স্টপের কাছে যখন রাস্তা পেড়াবো দেখি সামনে সবজেটে রঙের একটা ফুলহাতাজামা গাঢ় নীল একটা ফর্মাল প্যান্টের নীচে গুঁজে খোপা বেঁধে কালো বুটজুতো পরে একজন আসচে আর হঠাৎ দেখেই আমি কিরম যেন আত্মহারা হয়ে প্রায় তার গা ঘেষে রাস্তা পেড়িয়ে ওপারে যেতেই কী মনে হল তার পিছু ধরলাম এপারে আমি আর সে ওপারে অত্যন্ত জোড়ে হাঁটচিল বলে আমিও পায়ে গতি এনে হাজরার দিকে দ্রুত বেগে এগোতে এগোতে ক্রমে কোচিঙে যাওয়ার রাস্তাটার কাছে এসে তাকে ছাপিয়ে যেতে পারলাম যখন সেও আমায় লক্ষ্য করলে দ্বিতীয়বার কারণ এর আগে আমার অজ্ঞানে একবার দু'জনার চক্ষুভেদাভেদ হয়েচিল আর এই এখন আবার হল ঠিকই কিন্তু হাজরায় বাসযাত্রীদের ভিড় ঠেলতে ঠেলতে যে সে কোথায় মিলিয়ে গেল তা আমি ঠাহর করতে না পেরে বাড়ি এসে মুর্গির দোপিয়াজ়া আর কোর্মা দিয়ে রুটি সাঁটালাম। 

Shadows of Past

ছবি
 

An Evening at Goa

ছবি
 

৩৯

    রাতের ছোঁয়া লেগেছে মনে ঘুম আসে না - নিশি ডাকে যেন রাত কাটে ছাতের বাগানে অনেক ফুল গাছ ও পাতাবাহার নক্ষত্রবিলীন আকাশে আজ মেঘের মলিনতা লেগেচে জোসনাও আশ্রয় নিয়েচে কোনো দুষ্টু মেঘের নীড়ে সাতটি তারার তিমির আর কয়েকটি বিড়ি দূরে শোনা যায় কেদারা রাগে জলসাবাড়ির রসগীতি দূরে , তবুও স্পষ্ট উত্তুরেহাওয়ায় বয়ে আসচে চাঁদবিহীন রাত হলেও কৃত্রিম আলোয়ে আজকাল সবই দেখা যায় - পাশের বাড়ির কোনো ঘরে লাল রাতবাতি জ্বলছে - সে ঘরের দু ' টো জানলা যেন কোনো পিশাচের লাল লাল চোখ ভয় হয় দূরে সরকার বাড়ির দেওয়াল বেয়ে ওঠা বটগাছটা শাখাপ্রশাখা মেলে একেবারে স্থির প্রশান্ত কিন্তু বাগানের গাছপালা - যেন কেউ নাড়াচ্চে হঠাৎ অলৌকিকতা রোমান্টিকতা ছাপিয়ে ওঠে কে যেন নাক ডাকে কেউ পেচ্ছাপ করচে একটা বিড়াল কাঁউ কাঁউ করে কেঁদেই চলেচে ঝোড়ো হাওয়া তখনও ছাদের গাছগুলো দোলাচ্চে   বিড়ির সুতো পোড়ার শব্দ আশপাশে তাকিয়ে দেখলাম ১৩ ' টি স্যটেলাইট ডিশ্ দেখা যায় অলৌকিক কিছুই চোখে পড়ে না অবশ্য অদৃষ্টই তো অলৌকিক কেদারার গান এখন সর্বাঙ্গোর্ধ্বে মিশে...

নৈরাশ্য

  পঞ্চমী এক চরিত্রার হঠাৎ আগমনের সহিত , চারিপাশ গঞ্জিকার মধুরস্নিগ্ধ   গন্ধে কিঞ্চিৎ নেশাতুর হইয়া উ ঠিয়া ছে। ফলস্বরূপ , মঞ্চসজ্জায় ঈষৎ পরিবর্তনের প্রয়োজন। কিছু বৎসর কেশসুলভ ছুটি কাটানোর পরে পরিচালকমশাই যখন এক আকাশ কলুষ লইয়া বাড়ি ফিরিলেন , দ্বিতীয়া চরিত্রা তখনও ক্রুদ্ধ , আবার কিছুটা খুশীও ; কতকটা বিভ্রান্ত। প্রথম চরিত্র ইতিমধ্যে অনাবশ্যক অথবা অত্যাবশ্যক কোনো কারণে মঞ্চত্যাগ করিলেন। কিছুদিন পরে পরিচালকমশা ই য়ের আত্মকৃত কলুষের পর্বত হয়তো বা খানিক কাটানো সম্ভব হইল কিন্তু ঠিক তখনই দ্বিতীয়া চরিত্রার সুসার্থকপ্রেমে তৃতীয়া ব্যাক্তির প্রত্যাবর্তন লইয়া তিনি তার প্রাচীনরূপ ধারণ করিয়া বিচলিত করিয়া তুলিলেন খাস পরিচালকমশাইকেই। ওদিকে তৃতীয় চরিত্র তার ব্যর্থপ্রেমের দৈনন্দিন আত্মবৈদ্বেষিক নৈরাশ্যের চিরাচরিত দুঃখবাদ হইতে বার হইয়া আরও হতাশাপীড়িত কোনও শূন্যগর্ভে প্রবেশ করিয়াছেন। চতুর্থী চরিত্রাও এ হেন কালে ব্যর্থপ্রেমের চরম ঘা খাইয়া সমস্ত আশা বিসর্জন দিয়া হঠাতই পরাজয়ের নৈরাশ্যবাদ আপন করিয়া লইয়াছেন। এমতাবস্থায় -       পরিচালকঃ সত্য সেলুকাস , মাত্রাপরিবর্তনের পালা যে এইরূ...