আজ বহু বছর পরে আমি বাইরে থেকে খাবার কিনে নিয়ে বাড়ি ফিরচি কালীঘাট বাস স্টপের কাছে যখন রাস্তা পেড়াবো দেখি সামনে সবজেটে রঙের একটা ফুলহাতাজামা গাঢ় নীল একটা ফর্মাল প্যান্টের নীচে গুঁজে খোপা বেঁধে কালো বুটজুতো পরে একজন আসচে আর হঠাৎ দেখেই আমি কিরম যেন আত্মহারা হয়ে প্রায় তার গা ঘেষে রাস্তা পেড়িয়ে ওপারে যেতেই কী মনে হল তার পিছু ধরলাম এপারে আমি আর সে ওপারে অত্যন্ত জোড়ে হাঁটচিল বলে আমিও পায়ে গতি এনে হাজরার দিকে দ্রুত বেগে এগোতে এগোতে ক্রমে কোচিঙে যাওয়ার রাস্তাটার কাছে এসে তাকে ছাপিয়ে যেতে পারলাম যখন সেও আমায় লক্ষ্য করলে দ্বিতীয়বার কারণ এর আগে আমার অজ্ঞানে একবার দু'জনার চক্ষুভেদাভেদ হয়েচিল আর এই এখন আবার হল ঠিকই কিন্তু হাজরায় বাসযাত্রীদের ভিড় ঠেলতে ঠেলতে যে সে কোথায় মিলিয়ে গেল তা আমি ঠাহর করতে না পেরে বাড়ি এসে মুর্গির দোপিয়াজ়া আর কোর্মা দিয়ে রুটি সাঁটালাম।
শিল্পী, শিল্পায়ন, প্রেম এবং ঈশ্বর প্রসঙ্গে
“কীভাবে একজন কবি শুনতে পান তার নিজের কবিতাকে? কোন ছন্দ থাকে তার মাথার ভীতরে, কী ভেবে তিনি লাইন সাজান, যতিচিহ্ন রাখেন, অথবা বর্জন করেন?” লাইনগুলি থেকে থেকেই মনে পরে, আর ভাবিয়ে তোলে, কবি কি সত্যিই কবিতা তৈরি করেন, নাকি কবিতা তাঁর কাছে ধরা দেয় মাত্র? কবি ছাড়া কি কবিতার কোন অস্তিত্ব নেই? বার্থের মতে শিল্পায়নের পরে শিল্পীর মৃত্যু ঘটে - শিল্পের তখন এক স্বাধীন অস্তিত্ব কায়েম হয়; শিল্পীর অভিপ্রায় আর সেই শিল্পের মধ্যে খাটে না। তবুও সৃষ্টির আদিতে, যখন তপস্যাক্রমে এক কায়া নিজের দেহ হতে বাহির করেন প্রজাপতি, নিজসৃষ্টির সুঠাম রূপৌজ্জ্বলতার বশে তাঁকে ভোগ করবার বাসনা করেন স্বয়ং ব্রহ্মা - পুত্ররা পিতালালসার ছিঃ ছিঃ করলেও সরস্বতীর স্বরূপে তিনি মোহাবিষ্ট। সৃষ্টিশীল সমস্তই জগতে বর্তমান। তবে কি শিল্পীকে সৃষ্টিকর্তার উপাধি দেওয়া ঠিক? একজন শিল্পী তাঁর শিল্পসত্ত্বা প্রয়োগ করে সমস্ত থেকে বাছাই করেন মাত্র। শিল্পীর মাধুর্য তাঁর রূপ-প্রদানের ক্ষমতায়। এই সত্ত্বা বা শিল্পতত্ত্ব লাভ করবার জন্য বাকদেবীর আশীর্বাদ কাম্য। এই সাধনাদ্বারাই প্রজাপতি সৃষ্টিতত্ত্ব লাভ করে সৃষ্টিকর্মে রত হয়েছেন। বীণাপাণি ব্যতীত এই কর্ম...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন