আমার হৃদয়ের সর্বাধিক বেদনাপ্রবণ কোশগুলো জুড়ে যাঁহার অস্তিত্ব ব্রহ্মপুত্রসম সুখের মাঝে কখনও দুঃখভোগের বাসনা জাগ্রত হইলেই আমি তাঁহার সমীপে উপনীত হইয়া অতঃপর যদি তিনি তাঁহার সুষম সুগঠিত অধমাঙ্গে আমাকে গ্রহণ অনুসারে বেটাল পদতলের মলিনতা লেহন করিবার পরমসৌভাগ্যে নিয়োগোত্তর মহামূল্য মুত্রবর্ষায় সিক্ত করেন বিরহপূর্বের দুঃকাহিনী স্মরণ হেতু দুঃখবিলাস অতিবাহনকালে তাঁহার যোনিতটের কেশসমূহ কর্ষণ করিয়া পরমপুরুষের জন্য তাঁহাকে প্রস্তুত করিয়া পুনরায় সেই আদিম বেদনাসুলভপ্রেমানুভবের স্বাদ গ্রহণ করিতে অগ্রসর হই॥
শিল্পী, শিল্পায়ন, প্রেম এবং ঈশ্বর প্রসঙ্গে
“কীভাবে একজন কবি শুনতে পান তার নিজের কবিতাকে? কোন ছন্দ থাকে তার মাথার ভীতরে, কী ভেবে তিনি লাইন সাজান, যতিচিহ্ন রাখেন, অথবা বর্জন করেন?” লাইনগুলি থেকে থেকেই মনে পরে, আর ভাবিয়ে তোলে, কবি কি সত্যিই কবিতা তৈরি করেন, নাকি কবিতা তাঁর কাছে ধরা দেয় মাত্র? কবি ছাড়া কি কবিতার কোন অস্তিত্ব নেই? বার্থের মতে শিল্পায়নের পরে শিল্পীর মৃত্যু ঘটে - শিল্পের তখন এক স্বাধীন অস্তিত্ব কায়েম হয়; শিল্পীর অভিপ্রায় আর সেই শিল্পের মধ্যে খাটে না। তবুও সৃষ্টির আদিতে, যখন তপস্যাক্রমে এক কায়া নিজের দেহ হতে বাহির করেন প্রজাপতি, নিজসৃষ্টির সুঠাম রূপৌজ্জ্বলতার বশে তাঁকে ভোগ করবার বাসনা করেন স্বয়ং ব্রহ্মা - পুত্ররা পিতালালসার ছিঃ ছিঃ করলেও সরস্বতীর স্বরূপে তিনি মোহাবিষ্ট। সৃষ্টিশীল সমস্তই জগতে বর্তমান। তবে কি শিল্পীকে সৃষ্টিকর্তার উপাধি দেওয়া ঠিক? একজন শিল্পী তাঁর শিল্পসত্ত্বা প্রয়োগ করে সমস্ত থেকে বাছাই করেন মাত্র। শিল্পীর মাধুর্য তাঁর রূপ-প্রদানের ক্ষমতায়। এই সত্ত্বা বা শিল্পতত্ত্ব লাভ করবার জন্য বাকদেবীর আশীর্বাদ কাম্য। এই সাধনাদ্বারাই প্রজাপতি সৃষ্টিতত্ত্ব লাভ করে সৃষ্টিকর্মে রত হয়েছেন। বীণাপাণি ব্যতীত এই কর্ম...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন